মামাতো বোনের সাথে প্রেম | নিষিদ্ধ শরীরের আকর্ষণ

আমার নাম জিহাদ। আমার একটা শুধু বড় বোন আছে। আমার বোনের বয়স যখন তিন বছর, আমার বয়স তখন এক বছর, তখন আমার মা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তারপর যেমন কথায় বলে, “মা মরলে বাপ হয়ে যায় তালোই” — ঠিক তেমনই হলো। মায়ের মৃত্যুর কিছুদিন পর বাবা আবার বিয়ে করলেন। কিন্তু আমার সৎমা আমাদের দুই ভাই-বোনকে খুব মারধর করতেন, ঠিকমতো খেতেও দিতেন না। বাবার কাছে বললেও তিনি কিছু বলতেন না। বরং তিনিও মায়ের কথা শুনে আমাদের মারধর করতেন।

মামাতো বোনের সাথে প্রেম | নিষিদ্ধ শরীরের আকর্ষণ

আমাদের এই দুর্দশার কথা জানতে পেরে নানা-নানী আমাদেরকে মামাবাড়িতে নিয়ে আসেন। ছোটবেলা থেকেই আমাদের দুই ভাই-বোনের লাঞ্ছিত জীবন শুরু হয়। আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলাম। বুঝতে শুরু করলাম — যার মা নেই, তার আসলে কেউ নেই। মামাবাড়িতেও কথায় কথায় নানা-নানী মারতো। তবে ছোট মামা আমাদের খুব ভালোবাসতেন।

আমার বয়স যখন ৩, তখন ছোট মামা বাইরে থেকে এসে বিয়ে করলেন। বিয়ের পর আর আগের মতো আমাদের ভালোবাসতেন না। আস্তে আস্তে আমরা লাঞ্ছিত জীবন নিয়েই বড় হয়ে উঠলাম।

তারপর নানা তাদের ঘাড় থেকে বোঝা নামানোর জন্য বোনের বিয়ে দিয়ে দিলেন এক বয়স্ক লোকের সাথে। বোন এই বিয়েতে একদম রাজি ছিল না। সেই লোকটা বোনকে খুব নির্যাতন করতো। এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বোন তালাক দিয়ে চলে আসে। কী বলব ভাই, যাদের কপাল পোড়া, তাদের কি আর সুখ হয়?

তার দুই বছর পর বোনের আবার বিয়ে দিলাম। এখন সে সুখে সংসার করছে। ছোট মামারও সংসারও ভালই চলছে। তাঁদের এক মেয়ে আছে, নাম রিয়া। রিয়া আমার মামাতো বোন। আমার থেকে ৩-৪ বছরের ছোট।

রিয়া সবসময় সেজেগুজে থাকতো। আমি বয়স যখন ২২, তখন রিয়াকে কেন জানি খুব ভালো লাগতো। সে প্রায়ই আমার সামনে ঘোরাঘুরি করতো। কেউ না থাকলে ইচ্ছে করে ওড়না সরিয়ে দিতো বা কাপড় ঠিক করতো। আমারও যে খারাপ লাগতো ব্যাপার টা এমন নয়। বরং বেশ ভালোই লাগতো।

একদিন রিয়া ইচ্ছে করে গোসল করার সময় দরজা ফাঁক করে রাখলো, যাতে আমি তার নগ্ন শরীর দেখতে পাই। আমি স্পষ্ট সবকিছু দেখে ফেললাম। আমার শরীর তখন কাঁপছিল। তারপর থেকে রিয়া যখনই সুযোগ পেত আমাকে দেখানের জন্য, দরজা খোলা রেখে গোসল করতো। একসময় সে এভাবে আমার সাথে খুব ফ্রি হয়ে গেল।

কয়েকদিন পর বাড়িতে কেউ ছিল না। রিয়া হঠাৎ আমার কাছে এসে বলল, “জিহাদ, তোমার সাথে কথা আছে।” তারপর খোলাখুলি বলল, “আমি জানি তুমি আমার মামাতো ভাই। কিন্তু তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে। আমি তোমার সাথে সম্পর্ক করতে চাই।”

আমি প্রথমে কিছু বলতে পারলাম না। আমি চাইছিলাম না মামার সংসারে কোনো সমস্যা হোক। তাই সরাসরি না বলে দিলাম। তখন রিয়া বলল, “যদি তুমি রাজি না হও, তাহলে আমি সবাইকে বলে দেব যে তুমি আমার সাথে খারাপ আচরণ করেছ। তাহলে এই বাড়িতে তোমার থাকা কঠিন হয়ে যাবে।”

আমি ভয় পেয়ে গেলাম। আর কোনো উপায় না দেখে রাজি হয়ে গেলাম।

তারপর থেকে যখন বাড়িতে কেউ থাকত না, তখন রিয়ার সাথে আমার গোপন সম্পর্ক চলতে থাকল। অনেকদিন এভাবে চলছিল।

একদিন মামা পাশের গ্রামে কাজে গেলেন। রিয়া আমাকে বলল, “আজ রাতে তুমি আমার ঘরে আসবে।” রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি চুপি চুপি রিয়ার ঘরে ঢুকে গেলাম। কিন্তু নানী আমাকে দেখে ফেলেন। তিনি ভেবেছিলেন চোর ঢুকেছে। তাড়াতাড়ি মামাকে ফোন করে জানান। মামা সাথে সাথে বাড়ি চলে আসেন।

যখন আমি বের হতে গেলাম, তখন দেখি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ। মামা চিৎকার করে সবাইকে ডাকছেন। সবাই এসে দরজা খুলে আমাদের দুজনকে দেখে ফেলল।

কী বলব ভাই! মামা যেমন রিয়াকে পিটাচ্ছিলেন, তেমনি আমাকেও। সবাই আমাকে গালিগালাজ করছিল। বলছিল, “রিয়া তো ছোট মানুষ, সে বোঝে না। তুই কী করলি? ও তো তোমার বোনের মতো!” সেই রাতেই আমাকে আধমরা করে বাড়ি থেকে বের করে দিল।

আমি বোনের বাড়িতে চলে গেলাম। কিছুই ভালো লাগছিল না। রিয়াকে ছাড়া। অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছিলাম। ফোন করলাম, বন্ধ। কয়েকদিন পর মামাবাড়ির সামনে গেলাম। আবার মার খেয়ে ফিরে এলাম। তারপর একদিন বাড়ি ফাঁকা পেয়ে ভিতরে ঢুকে রিয়াকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললাম, “আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না।” রিয়াও বলল, “আমিও।” আমি বললাম, “আজ রাতে তোমাকে নিতে আসব, রেডি থেকো।” রিয়া রাজি হলো।

কিন্তু রাতে গিয়ে আবার ধরা পড়ে গেলাম। এবার সবাই মিলে খুব মারল। তারপর পুলিশে দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দিল।

এখন জেলে বসে দিন গুনছি। রিয়া হয়তো এখনো মামাবাড়িতেই আছে। আর আমি এখানে। ছোটবেলা থেকে আমার জীবনটা ব্যর্থ, অবহেলিত, লাঞ্ছিত। রিয়াকে পেয়ে ভেবেছিলাম সব বদলে যাবে, কিন্তু হয়নি।

জেলে বসে এখন বুঝতে পারছি — মামাতো বোনের সাথে এই সম্পর্কে জড়ানোটা ঠিক হয়নি। এটা আমার জীবনকে আরও ধ্বংস করে দিয়েছে। সুখ হয়তো আমার কপালেই লেখা ছিল না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top