প্লিজ তাড়াতাড়ি করুন আমি ব্যাথা পাচ্ছি, কারন এটা ছিল আমার জীবনে প্রথম। কিন্ত সে তার মত করে আমাকে ভোগ করতে লাগল। সতর্কতা: গল্পটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সংবেদনশীল বিষয়বস্তু সম্বলিত। আর করবে নাই বা কেন তিনি তো আমাকে টাকা দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য কিনে নিয়েছেন। এই সময়ের জন্য আমি তার ভোগ্য পন্য। প্রায় ১ঘণ্টা সময় আমাকে ভোগ করার পর তিন ক্লান্ত হয়ে তার শরীর আমার শরীরের উপর এলিয়ে দিলেন। কিন্ত তিনি আমাকে ছাড়লেন না। বরং আমার ঠোটে ঠোট মিশিয়ে লিপ কিস করতে লাগল। আমারও কিছু করার ছিল না। তার সব কিছুই সাথে রেসপন্স করতে আমি বাধ্য ছিলাম। তাই আমিও তার প্রতিটা স্পর্শও বিপরিতে রেসপন্স করতে লাগলাম। কারন আমি আমার সম্মান তার কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।
টাকার কাছে বিক্রি করা সম্মান Bangla Story Golpo
আমার নাম অবন্তি। কলকাতার ব্যাস্ত শহরের কোন এক বস্তিতে বাস করে আমাদের পরিবার। বাবা মারা যাওয়ার পর ছোট ভাই আর মাকে নিয়ে ছিল আমাদের ছোট্ট সংসার। মা ডায়বেটিসের রুগি আর ভাই সে একটা দোকানে কাজ করত। কিন্ত ইদানিং ছোট ভাইটা খুবই অসুস্থ। ভাইয়ের লিভার সিরোসিস হয়েছে। ডাক্তার বলেছে জরুরি অপারেশন না করালে বেশিদিন বাচবে না। অপারেশন করাতে অনেক টাকা লাগবে। প্রায় দুই লাখ টাকার মত। মায়ের সব সোনা-দানা বিক্রি করেও মাত্র ৭০ হাজার টাকা জমা করতে পেরেছি। কিন্ত এখনো অনেক টাকা লাগবে। বাকি টাকা কোথায় পাবো? অনেকের কাছে হাত পেতেছি কিন্ত কেউ সাহায্য করতে রাজি হয়নি। বাবা নেই ভাই কবে কাজ করতে পারবে মেয়ে মানুষ কিভাবে তাদের টাকা শোধ করবে এই কথা বলেই সবাই ফিরিয়ে দিয়েছিল।

শেষমেশ ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে একটা ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হই। একটা অনলাইন প্লাটফর্মে নিজেকে দুই ঘন্টার জন্য বিক্রি করে দেই। সে ছিল অনেক ধনী। তার কাছে আমার ছবি আর আমি ভার্জিন বলতেই সে আমার কথা মত দেড় লাখ টাকা দিতে রাজি হয়।
সে আমাকে একটা ফ্লাটে আসতে বলে। আমিও তার কথা মত সেখানে যাই। কিন্ত ফ্লাটের সামনে যেতেই আমার পুরো শরীর কাপছিল। আমার বয়স এখন ২১ বছর। আর তার বয়স ৩০ সে দেখতে ছিল অনেক সুদর্শন। বড় ব্যাবসায়ী। প্রথমে ভদ্রতা দেখলেও কিছু খনের ভিতরে সে তার আসল চরিত্রে ফিরে আসে। আর আমার বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করতে থাকবে। আমি তাকে অনুরোধ করি দয়াকরে আমাকে ব্যাথা দিবেন না। এটাই আমার জীবনের প্রথম। কিন্ত তিনি আমার কথা শুনলেন না। সে তার ইচ্ছা মত আমার শরীর নিয়ে খেলা করতে লাগলেন। তার প্রতিটা স্পর্শে আমার শরীরের সাথে সাথে আমার আত্মাও যেন ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। কত সপ্ন ছিল আমার এই সম্পদ একমাএ আমার স্বামীই ভোগ করবে। তার প্রথম করাতে আমার ওখান থেকে রক্ত বের হয়ে পরছিল। সে আমাকে দুই ঘন্টা ভোগ করার পর আমার শরীরে এলিয়ে পরলো। আর আমাকে কিস করতে লাগলো। কিন্ত তাও আমি কিছুই বলতে পারছিলাম না। কারন আমার তো টাকা লাগবে। যদি তাকে কিছু বলি আর সে আমাকে টাকা না দেয়। কিন্ত সে কিছু খনের মধেই ঠিক হয়ে গেল। আর বলল ও হা দুই ঘন্টা তো শেষ। সরি।……
এরপর সে তার ব্যাগ থেকে বের করে আমাকে দেড় লক্ষ টাকা বের করে দিলেন। কিন্ত সে যেমনেই হোন না কেন? সে বলল এত রাতে একা যেও না। চলো আমি তোমাকে বাড়ি পৌছে দিচ্ছি। আমিও তার কথা মত তার সাথে নিচে নেমে গাড়িতে উঠলাম। কিন্ত আমি গাড়িতে বসে শুধু কান্না করতে লাগলাম। তিনি তখন জিগ্গেস করলেন আচ্ছা তোমাকে দেখে তো ভাল মেয়ে মনে হচ্ছে তাহলে তুমি এই পথে আসলে কেন? আমি তখন সব কিছু খুলে বললাম। দারিদ্র্য মানুষকে এত্ত নিচে নামাতে বাধ্য করে। মায়ের ডায়বেটিস ভাইয়ের অপারেশন জীবন মৃত্যর সাথে লড়াই। এসব কিছুই বাধ্য করেছিল আমাকে নিজের শরীর বিক্রি করতে। আমার কথা শুনতেই রাতুলের মুখ ফাকাশে হয়ে গেল। কারন রাতুল এর আগেও অনেক মেয়ের সাথে থেকেছে কিন্ত সবাই টাকার লোভ আর নিজেদের বিলাশী জীবন যাপনের জন্যই এসব পথে এসেছে।
আমাদের গল্প সবার আগে পেতে Whatsapp চ্যানেলে যুক্ত হোন।
রাতুলের তখন নিজেকে বড্ড আপরাধী মনে হচ্ছিল। রাতুল ফিসফিস করে বলল যদি আগে জানতাম তাহলে আমি কখনো তোমার সাথে এটা করতাম না। গাড়ি থামিয়ে রাতুল অবন্তির হাত ধরে বলল প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি তোমার ভাইয়ের পুরো চিকিৎসার দায়িত্ব নেব। এটা বলতেই অবন্তির চোখ দিয়ে জল গরিয়ে পড়তে লাগলো।
পরদিন সকালে হাসপাতালে গিয়ে অবন্তি জানতে পারলো রাতুল সাহেব রাতেই পুরো টাকা পে করে দিয়েছে। অবশেষে ভাইয়ের অপারেশন সফল হলো। ভাই যখন চোখ খুলে দিদি বলে ডাকলো অবন্তির চোখ দিয়ে অনন্দে অঝড়ে জল পড়তে লাগলো। রাতুল সাহেবের এই কৃতজ্ঞতা তার প্রতি সমস্ত ঘৃনা তার মন থেকে হারিয়ে গেল। রোমান্টিক গল্প
অবন্তি ভাই তখনও হাসপাতালে অপারেশনের তিন দিনের মাথায় রাতুল সাহেব তাকে দেখতে এলেন। হাতে ফুলের ঝুড়ি, মায়ের জন্য আনলেন ঔষধ। তারপর বললেন এরপর থেরেক আমি প্রতিদিন আসবো। যদিও আমি প্রথমে তাকে ইগনোর করতাম। কিন্ত রাতুল হাল ছাড়লো না। তার আচরন দেখে ধীরে ধীরে তার প্রতি আমার মনে একটা অন্য রকম অনুভুতি হতে লাগলো। কারন তিনি শুধু আমার ভাইয়ের জীবনই বাচান নি। তিনি আমার মাকেও বাচিয়েছেন। রাতুল প্রতিদিন আসতো আর মায়ের সাথে অনেক গল্প করতো। মাও রাতুলকে খুব পছন্দ করতো।
জানিনা এই অল্প সময়ে আমার কাছে কিভাবে রাতুলকে ভাল লাগতে শুরু করে। কিন্ত এটা কিভাবে সম্ভব আমি একটা বস্তির মেয়ে। আর রাতুল অনেক বড় ব্যাবসায়ী। তার উপর তিনি তো আমাকে একজন পতিতা হিসেবেই দেখেন। আর কিছুই না। কিন্ত আমার ধারনা যে কত বড় ভুল ছিল তা আমি রাতুলের কথাতেই বুঝতে পারলাম। রাতুল পরদিন আমার সাথে দেখা করলো হাসপাতালে। সে আমাকে নিয়ে একটু বাইরে ঘুরতে এলো। আমি আর রাতুল তখন একটা রেস্টরেন্ট এ বসা। রাতুল তখন বলল দ্যাখো অবন্তি আমি জানি আমি জীবনে অনেক বড় ভুল করেছি। ছোট বেলায় মাকে হারিয়েছি। তাই মা কি পরিবার কি জীবনে বুঝি নি। বাবা কখনো আমার কাছে তাকে নি সে সব সময় আমাকে টাকা দিয়ে খুশি রাখতেন। তোমাকে দেখার পর, তোমার মা ভাইকে দেখার পর আমি পুরো বদলে গেছি। আসলে ব্যাবসার চাপে আর একাকিত্বে আমি একটা পশুতে পরিনত হয়েছিলাম। কিন্ত আমাকে দেখার মত কেউ ছিল না। সে বলল এখন তুমিই পারো আমাকে এই পথ থেকে বের করে আনতে। আমি জানি তুমি খুবিই ভাল একটা মেয়ে। যার প্রমান আমি সেই দিনই পেয়েছি। কারন তুমি ভার্জিন ছিলে।
তার প্রতিটা কথাতেই তার চোখে সত্যিকারের অনুশোচনা দেখতে পাচ্ছিলাম। যে মানুষটা আমার সব কেড়ে নিয়েছিল সেই মানুষটাই আজ আমার পাশে দাড়িয়ে আছে। নিজের ভুল শিকার করছে। রাতুল সাহেব বললেন দ্যাখো আমি জানি তুমি অনেক সমস্যার ভিতরেই আছো। জানি ভাই মাকে নিয়ে তোমার অনেক টেনশন। কিন্ত আমি তাদের প্রতি কোন দয়া দেখিয়ে বলছি না। আমি শুধু তোমার ব্যাক্তিত্ব দেখে বলছি আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি। তোমার কষ্ট, ত্যাগ, তোমার শক্তি সব কিছই আমাকে আকর্ষন করে।
তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? আমি তোমাকে জোর করবো না। সম্পূর্ন সিদ্ধান্ত তোমার। তার কথাতে আমি পুরো স্তব্ধ হয়ে গেলাম। বার বার আমার সেই রাতের কথা মনে পরছিল। কিন্ত আমার তো একটাই সপ্ন ছিল যে আমার স্বামীকেই এই সম্পদ দিবো। তাহলে এটাই কি আমার সেই চাওয়া যা ইশ্বর পূরন করতে চায়। রাতুলের ভালবাসা, যত্ন, আর পরিবর্তন আমাকে ভিষন ভাবে নাড়িয়ে দিল। আমার চোখে জল চলে আসলো। হয়তো এটা অনন্দে।
আজ এক বছর হলো আমি রাতুলের বউ। রাতুল আমাকে অনেক ভালবাসে। সে প্রতিদিন অফিস শেষ করেই আমার কাছে চলে আসে। আমি জানি আমি রাতুলের কাছে অনেক ঋণী। সারাজীবন এই ঋণ শোধ করে যাবো রাতুলকে ভালবেসে। আজ আমি অনেক সুখি। যদিও সেই ভয়ংকর রাতটার কথা মনে পড়লে আজও আমি শিউরে উঠি। যদি সেদিন রাতুল না হয়ে অন্য কেউ হতো। হয়তো আজ আমি বাজারের একটা নষ্ট মেয়ে হয়েই পরিচিত হতাম। জীবন কখনো কখনো মানুষকে এমন অদ্ভত পথে নিয়ে যায় যে যন্ত্রনা কখনো ভুলে যাওয়া যায় না। কিন্ত আমি আজ অনেক খুশি কারন আমি রাতুলকে পেয়েছি। আমার ভালভাসাকে পেয়েছি। আর আমার সম্পদ আমার স্বামীর হাতে তুলে দিতে পেরেছি।
সমাপ্ত…….