শেষ্ঠ অনুভূতি – পর্ব ১ | বাংলা রোমান্টিক গল্প

তানিয়ার শা’ড়িটা রোহিত খুব ধীরে ধীরেই খু’ল’ছিল। আর তানিয়া চোখ বন্ধ করে রোহিতের স্প*র্শে বার বার কেঁপে উঠছিল অজানা শি’হরনে। অথচ তানিয়ার পি*রি*য়ড চলছে। মনটা চাইছে বাধা দিতে। কিন্তু নতুন এই মানুষটাকে কোন ভাষাতে বাধা দে’বে সে।

ততক্ষনে রোহিতের হাতটা তানিয়ার বু*কের কা’পরে স্প’র্শে করে ফেলেছে। তানিয়া যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারছিল না। শ’রী’রটা শক্ত হয়ে আসছিল এমন একটি পুরুষ হাতের স্প*র্শে। তখন সে চাইছিল। সেই ভেজা ঠোঁ’ট টা যদি এসে নিজের ঠোঁ’ট টাও ভি’জি’য়ে দিতো। ভালবাসাটা আরো গ’ভীরে চাইছিল মনের ভেতরে।

কিন্তু তার আগেই রোহিতের হাতটা যখন তানিয়ার ন*গ্ন পে’টে ঘুরতে থাকে। তানিয়া তখন চোখ দুটো বন্ধ করে গো*ঙ্গা’তে থাকে। তবুও প্রকাশ করতে চাইছিল না। ছা’ড়তে চাইছিল না এই সুখটা। তবুও বলতেই হয়। তা না হলে দুজনের শ’রীর’ই ক্ষতি হবে। পে’টে ব্য’থাও আছে। তানিয়া তখন ধীর কন্ঠে রোহিতকে বলে।

আমার একটু কাছে আসবে। তানিয়ার মুখে এমন আব্দার শুনে রোহিত মু’চ’কি হাসে। বুঝতে পারে যে,তানিয়া তার আ’রো কাছে চা’ইছে। রোহিত তখন তানিয়াকে নিজের সাথে জ’ড়ি’য়ে ধরে। খুব কা’ছে টেনে নেয় তানিয়াকে। আর এমন শ’ক্ত বু*কের চাপ পেয়ে যেন তানিয়ার ভেতরের আ’গুন’টাও জ্বে’লে উঠে। ইচ্ছে করে আর বা’ধা না দিতে। কিন্তু সেটা সম্ভব না। তানিয়া তখন রোহিতের দিকে জলমাখা চোখ নিয়ে তাকায়।তারপর নরম কন্ঠে বলে ?

একটা কথা বলি তোমাকে ?

একটা না। যত ইচ্ছা বলতে পারো। বলছিলাম যে,আজ আমাকে শুধু বু’কে’র সাথে জ’ড়ি’য়ে ধরে ঘুমালে হয়না ? আমি আসলে বলতে পারিনি। আমার পি*রি’য়ড চলছে। তোমাকে খুশি করার সা’ম’র্থ নেই আমার।

তানিয়ার মুখে হঠাৎ এমন একটি কথা শুনে ইফতির বাধনটা ঢিলে হতে যেয়েও হয়নি।

একি,তুমি আগে বলোনি কেন আমাকে ?

নাহ মানে। তোমার সু’খ থেকে নিজেকে ছা’ড়তে ইচ্ছে করছিল না। তুমি অনেক দিনের স্বপ্ন আমার। কি করে বাধা দিই বলো।

আচ্ছা। আমি আর জো’ড় ক’রবো না। আমি জানলে কখনই স্প*র্শ করতাম না। এমন প*শু অন্তত নই আমি ।

রোহিত তখন হাসতে হাসতে বলে।

না বলেই জ্বা’লা’তে শুরু করেছি। এখন ছা’ড়ছি।

এখন তুমি ঘুমিয়ে পরো। আমি এখন একটু সরছি। ভাল হলে আসবো আমি।

না নাহ, তুমি পা’শেই ঘুমাও। দূরে যেতে হবে না।

উহু,আমি সোফাতে ঘুমাবো। এখন পাশে আসছি না।

থাকলে কি হয়।

আমি তোমার থেকে দূরে থাকতে চাচ্ছি এখন।আর তুমি বলছো,তোমার পাশে ঘুমোতে।তুমি ঘুমিয়ে পরো। আমি লাইট অফ করে দিলাম।

তানিয়া আর কথা বলে না। পে’টে’র নিচে একটা বালিশ চাপা দিয়ে শুয়ে পরে পাশ ফিরে।

অনেক্ষন এদিক ওদিক করেও কোনো ঘুম আসে না।

তানিয়া মনে মনে ভাবতে থাকে । মানুষটা কেমন যেন। একদম অন্যরকম। এই জায়গাই যদি অন্য কেউ থাকতো । সে হয়ত এসব তোয়াক্কা করতো না। খা’ব’লে খেত পুরো শ’রী’র। কিন্তু মানুষটার স্প*র্শও ছিল ভালবাসাই ভরা।শুধু একটু বাকি থেকে গেল। একটু যদি ঠোঁ’টটা ছুঁ’য়ে যেত।

এসব ভাবতে ভাবতেই তানিয়া হারিয়ে যায় ঘুম রাজ্যে। কিন্তু তানিয়া হয়ত জানে না। সকালে তার জন্য কি অপেক্ষা করছে।

মাঝে অবশ্য একবার ঘুম ভে*ঙ্গে যায়।

তানিয়া ঘুমের ঘোরের মধ্যে ঠোঁ’টের কাছে একটা উষ্ণ নিঃ’শ্বা’সের অনুভব করতে পারছিল। মনে হচ্ছিল,ঠোঁ’ট টাতে কেউ ঠোঁ’ট ছোঁ’য়াতে এসেছে।

হঠাৎ ঘুমটা ভে*ঙ্গে যায় তার।

হতে পারে সেটা মনের ভুল ছিল। কিংবা চা*হি’দার কোনো ঘোর ছিল সেটা।

ঘুম ভা’ঙ্গার পরে তানিয়া একটু উঁকি দিয়ে খোঁজে রোহিতকে।

তাকিয়ে দেখে,মানুষটা সোফাতেই ঘুমিয়ে আছে। আসলে তানিয়ে এখনও ঠিক বুঝতে পারছে না। তার পাশে না ঘুমিয়ে সোফাতে ঘুমোনোর কারণটা কি।

ভেতরে একটা টান অনুভব হয়। একা একা বি’ছা’নাতে থাকতে ইচ্ছে হয়না আর।

পে’টের ব্য’থা নিয়েই বি’ছানা থেকে নেমে পরে ধীরে ধীরে।

ইচ্ছে ছিল ,সোফাতে গিয়ে রোহিতের কোলে মাথা রেখে ঘুমাবে। আর না হয় নিজেই তার ঘু’ম’ন্ত ঠোঁ’টে চু*মু খাবে। এই ভেবেই এগোতে থাকে সোফার দিকে। কিন্তু কাছে যেতেই চোখ পরে সোফার পাশে রাখা টেবিলের উপরের মোবাইলটা। ভাইব্রেট করা মোবাইলে একের পর এক মেসেজ আসছে।

প্রথমে ধরতে ইচ্ছে না হলেও কেন যেন মোবাইলটা হাতে নেয় তানিয়া। মোবাইলটা হাতে নেওয়া মাত্রই একটা মেসেজ ভেসে উঠে স্ক্রীনে। “আমি ডি’ভো’র্স চাই রোহিত। তোমার মত চ’রিত্র’হীনা মানুষের স’ঙ্গে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়”

চলবে,,,,,,,,,

✍️ লেখক: গল্পের শহর
📌 মূল প্রকাশনা: Facebook
🔗 মূল পোস্ট: Facebook পোস্টের লিংক

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top