মামাতো বোনের সাথে বৃষ্টি ভেজা সেই রাত

আমার নাম সোহাগ। বয়স চব্বিশ। ঢাকায় একটি ইলেকট্রনিক্সের দোকানে কাজ করি। মামাতো বোনের সাথে বৃষ্টি ভেজা সেই রাত! ইদের ছুটি পেয়ে  মামার বাড়িতে গ্রামে চলে এসেছি। ভ্যান থেকে নেমে দেখলাম চারদিকে সবুজ। কাঁঠাল আর নারকেল গাছের সারি, বৃষ্টিতে ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ বাতাসে ভাসছে। বিকেল শেষ হয়ে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। হালকা অন্ধকারে বাড়ির বারান্দায় বসে ছিল রুনা।  ১৮+ গল্প

মামাতো বোনের সাথে বৃষ্টি ভেজা সেই রাত

রুনা আমার মামাতো বোন। বয়স উনিশ। কলেজে পড়ে। ফর্সা মুখ, টানা চোখে হালকা কাজল, নরম ঠোঁট। পরনে সাদা-মেরুন প্রিন্টের সালোয়ার-কামিজ, লাল পাড়ের ওড়না গলায়। বৃষ্টিতে ভিজে তার চুল থেকে পানি ঝরছে। ভেজা কাপড় শরীরের সাথে আলতো লেগে আছে। আমি একবার তাকিয়ে চোখ সরিয়ে নিলাম। বুকের ভেতর অদ্ভুত একটা শিহরণ অনুভব করলাম।

রুনা আমাকে দেখে লজ্জায় মুখ নামিয়ে ফেলল। তারপর ছোট্ট করে হেসে বলল, “ভাইয়া, কবে আসলা?” বাংলা ১৮+ গল্প

“এই তো এখনই। মামা-মামী কোথায়?”  

“আব্বা ক্ষেত থেকে ফিরে বাজারে গেছে ফিরতে ফিরতে ১০-১১ টা বাজবে। আম্মা পাশের গ্রামে গেছে, রাতে ফিরবে।” সে লজ্জা পেয়ে ওড়না ঠিক করতে করতে বলল, “তুমি আসায় এখন আর একা লাগছে না।” তার চোখে লাজুক হাসি দেখে আমার শরীরে হালকা একটা উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ল। ভেতরে গিয়ে খাটে বসতেই রুনা চা নিয়ে এলো। কাপ হাতে দেওয়ার সময় তার আঙুল আমার আঙুলে হালকা ছুঁয়ে গেল। সে তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে নিয়ে মুখ নামাল। আমি চা খেতে খেতে বললাম, “বাইরে বৃষ্টির পর খুব সুন্দর লাগছে।”  

রুনা জানালার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, “হ্যাঁ, কিন্তু এখন একটু গরম লাগতেছে।”

তার ভেজা কামিজে শরীরের নরম আকৃতি ফুটে উঠেছিল। আমি চোখ সরিয়ে নিয়ে নিজেকে সামলালাম। অনেকদিন পর দেখছি, রুনা অনেক বড় হয়ে গেছে। সুন্দর, লাজুক, আর অসম্ভব আকর্ষণীয়।

কিছুক্ষণ পর রুনা লজ্জা লজ্জা গলায় বলল, “ভাইয়া, কুয়ো থেকে পানি তুলে দিবো? গোসল করবা।”  আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, “চল।” মামাতো বোনের ভালবাসা।

বৃষ্টি থেমে গেছে। চারদিক কাদায় ভরা। রুনা আগে আগে হাঁটছে। তার ভেজা সালোয়ারে পা দুটো আর কোমরের নরম দোলা দেখে আমার বুক দ্রুত চলতে শুরু করল। কুয়োর কাছে পৌঁছে সে একটা পুরনো কাপড়ের আড়ালে ঢুকে পড়ল।

আমি দড়ি টেনে পানি তুলছিলাম। হঠাৎ দড়ি পিছলে আমার হাতে জোর লেগে পা পিছলে কাদায় পড়ে গেলাম। রুনা ভয় পেয়ে “ভাইয়া!” বলে ছুটে এলো। তার কামিজ আধখোলা, ওড়না হাতে। ভেজা চুল, ফর্সা ঘাড় আর কাঁধ দেখে আমি থমকে গেলাম।

আমি উঠতে গিয়ে আবার পিছলে তার কাছে পড়ে গেলাম। আমার বুক তার নরম বুকের সাথে হালকা চেপে গেল। কয়েক মুহূর্ত আমরা দুজনেই চুপ করে রইলাম। তার শরীর থেকে হালকা সাবান আর বৃষ্টির গন্ধ আসছিল। রুনা লজ্জায় কাঁপছিল। আমি তাড়াতাড়ি উঠে বললাম, “সরি রুনা… ইচ্ছে করে হয়নি।”

সে মুখ লাল করে শুধু বলল, “তুমি ঠিক আছো তো ভাইয়া?” তার চোখে লজ্জা আর কিছু একটা মিশে ছিল।

আমরা কুয়োর পাশেই কাদার ওপর বসে পড়লাম। রুনা তার ওড়না দিয়ে শরীর ঢাকার চেষ্টা করছিল। তার গাল লাল, চোখ নামানো। অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে সে ফিসফিস করে বলল, “ভাইয়া… তুমি সব দেখে ফেলছো। আমার খুব লজ্জা লাগতেছে।”

আমি আস্তে বললাম, “রুনা, আমি কিছু দেখিনি। তুমি চিন্তা করো না।” কিন্তু আমার শরীরে তখন অদ্ভুত একটা উত্তেজনা। তার নরম শরীরের স্পর্শ এখনও অনুভব করছিলাম।

আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। তার হাতটা আলতো করে ধরে বললাম, “রুনা… আমাকে ক্ষমা করো।” আমার অন্য হাত তার পিঠে চলে গেল। তার ত্বক খুব নরম আর ঠান্ডা। সে কাঁপতে কাঁপতে চোখ বন্ধ করল।  

আমি খুব আস্তে তার কপালে একটা চুমু দিলাম। তারপর ঠোঁটে। রুনা প্রথমে শক্ত হয়ে ছিল, তারপর ধীরে ধীরে নরম হয়ে গেল। আমরা দুজনেই জড়িয়ে ধরলাম। তার বুক আমার বুকে চেপে আছে। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নামতে নামতে কোমরে চলে গেল।

রুনা ফিসফিস করে বলল, “ভাইয়া… এটা ঠিক না… কিন্তু আমি থামাতে পারতেছি না।” তার গলায় লজ্জা আর আকাঙ্ক্ষা মিশে ছিল।

আমি তার ভেজা চুলে হাত বুলিয়ে আলতো করে জড়িয়ে ধরলাম। আমাদের শরীর অনেকক্ষণ একসাথে লেগে রইল। বৃষ্টির পরের ঠান্ডা বাতাসেও আমাদের শরীর গরম হয়ে উঠছিল। আমি তার ঠোঁটে আবার চুমু খেলাম। এবার অনেক নরম, অনেক গভীর। অনেকক্ষণ পর আমরা দুজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে আলাদা হলাম। রুনা লজ্জায় মুখ ঢেকে বলল, “ভাইয়া… আমরা কী করলাম? কাউকে বলো না প্লিজ… আমার খুব লজ্জা লাগতেছে।”   আমি তার মাথায় হাত রেখে বললাম, “কাউকে বলব না। এটা আমাদের গোপন থাকবে।”

সেদিন রাতে গোসল করে আমরা বাড়ি ফিরলাম। পরদিন সকাল থেকে রুনা আমার সামনে লজ্জায় চোখ নামিয়ে থাকত। কিন্তু তার চোখে একটা নতুন আলো ছিল। দুপুরে রান্নাঘরে যখন কেউ ছিল না, সে আমার কাছে এসে আলতো করে হেসে বলল, “ভাইয়া… কালকের কথা মনে আছে?”

আমি তার হাত ধরে বললাম, “পুরোটা মনে আছে।”   সে লজ্জায় মাথা নিচু করে আমার বুকে মাথা রাখল। আমরা আবার জড়িয়ে ধরলাম। এবার অনেক নরম, অনেক আস্তে। শুধু চুমু, আলিঙ্গন আর হালকা স্পর্শ। ছুটির কয়েকটা দিন আমরা যখনই সুযোগ পেয়েছি, লুকিয়ে লুকিয়ে কাছাকাছি থেকেছি। কথা বলেছি, হেসেছি, আর কখনো কখনো নীরবে জড়িয়ে ধরেছি। 

ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার দিন রুনা চোখে জল নিয়ে বলল, “ভাইয়া, তাড়াতাড়ি আবার আসবে। আমি অপেক্ষায় থাকব।” আমি তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, “অবশ্যই আসব।” প্রাপ্ত বয়স্কদের গল্প গ্রাম ছেড়ে আসার সময়ও বাতাসে সেই বৃষ্টির গন্ধ আর রুনার নরম স্পর্শ মনে রয়ে গেল।

সমাপ্ত…

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top